Sunday, September 19, 2021

লক্ষ্মীপুর মজু চৌধুরী ফেরিঘাটে বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তা লাঞ্চিত 

সবুজ জমিন : লক্ষ্মীপুর-ভোলা-বরিশাল নৌ-রুটের লক্ষ্মীপুর অংশে মজুচৌধুরীরহাট লঞ্চ ও ফেরীঘাটের মালিকানা ও ইজারা নিয়ে চরম বিরোধ দেখা দিয়েছে। এবার ইজারা বুঝিয়ে দেওয়ার সময়  জেলা পরিষদ এর ইজারাদার ইসমাইল পাঠানের সমর্থকদের  দ্বারা  লাঞ্চনার শিকার হয়েছেন বিআইডব্লিউটিএ এর কর্মকর্তা একেএম কাউসারুল ইসলাম।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ফেরীঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এবিষয়ে বিআইডব্লিউটিএ এর কর্মকর্তা একেএম কাউসারুল ইসলাম সবুজ জমিনকে বলেন শিমুল চক্রবর্তী কে আমরা ফেরিঘাট ও লঞ্চ ঘাট বুঝিয়ে দেওয়ার পরপরই

 

 

জেলা পরিষদের ইজারাদার লোকজন  একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটায় । তারা আমাকে টানাহেচরা করে।

 

বিষয়টি আমি উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। এর পরপরই  লক্ষ্মীপুর সদর থানা অফিসার ইনচার্জ জসীমউদ্দীন এসে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে এনেছেন।

 

আগামীকাল সকাল ১১ টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একটি সভা হবে। এরপরে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব।

এই দিকে জেলা পরিষদ এর ইজারাদার ইসমাইল পাঠান প্রতিবেদক জানান মজু চৌধুরী ঘাটে কোন ঘটনা বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না।

এই বিষয়ে লক্ষ্মীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জসীমউদ্দীন  বলেন, তিনি ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই হট্রগোল কারীরা পালিয়ে যায়।  পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, চলতি অর্থ বছরের জন্য লক্ষ্মীপুরের দুইটি প্রভাবশালী গ্রুপ পৃথক পৃথক দু’টি কার্যালয় থেকে ঘাটতি ইজারা নেয়। ফলে ঘাট দখল নিয়ে এখন উত্তেজনা বিরাজ করছে। উভয় পক্ষ প্রকাশ্যে বিরোধে জড়িয়ে পড়ে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঘাট দখল নিতে ইসমাইল হোসেনের সাথে আছে জেলা পরিষদের সদস্য আলমগীর হোসেন- যিনি মজুচৌধুরীরহাটের প্রভাবশালী ব্যক্তি, সাবেক ছাত্র লীগ নেতা  আব্দুল জব্বর লাভলু, রাকিব হোসেন লোটাস, এহতেশাম হায়দার বাপ্পি, যুবলীগ নেতা  রিয়াজুল করিম জেনি, ছাত্রলীগ নেতা জিসাদ আল নাহিয়ান, স্থানীয় যুবলীগ নেতা মনির হোসেন  ।

অন্যদিকে শিমুল চক্রবর্তীর সাথে রয়েছে ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক নেতা নজরুল ইসলাম ভুলু ও জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নুরুল আজিম বাবর, যুবলীগ নেতা রুপম হাওলাদার, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাহমুদুন নবী সোহেলসহ প্রভাবশালী।

পৃথক এ দুই ইজারা গ্রহীতার সাথে প্রভাবশালী এসব ছাত্রনেতাদের সম্পৃক্ততা থাকার কারণে ঘাট দখল নিয়ে দু’ পক্ষই মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে।