লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের সুনাম ক্ষুন্ন করতে স্বার্থন্বেষী মহল মিথ্যা বিভ্রান্ত ছড়াচ্ছে

0
21

সবুজ জমিন প্রতিবেদক: স্বার্থন্বেষী একটি মহল জেলা পরিষদের দীর্ঘদিনের সুনাম ক্ষুন্ন করার জন্য উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে মিথ্যা বিভ্রান্ত ছড়াচ্ছে এমনি দাবি করে আজ সকাল ১০ টায় প্রেস ব্রিফিং মাধ্যামে এসব মিথ্যা অপবাদের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহাজান। এসময় জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। এসময় তিনি আরো বলেন, লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলাধীন পৌর শহরে ৬৩ নং বাঞ্চানগর মৌজার সি এস জরিপে ৪৩১৮, ৪৩১৯,৪৩২০ দাগে ০.৬৫ একর ভুমি মালিক ২৫৮৭ নং খতিয়ানে ডিষ্ট্রিক বোর্ডের নামে রেকর্ডভূক্ত হয়। একটি পক্ষ নবদ্বীপ দাবি করছে ১৯৪২ সনে ডিস্ট্রিক বোর্ডের ভূমি ছাপকবলা তাকে দেওয়া হয়েছে এছাপ কবলা ১৮৮৫ সনের সরকারী আইন ৯৩ ধারা অনুযায়ী কোন স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেনা। এমনিক ডিস্ট্রিক বোর্ডের সিদ্ধান্ত ব্যতিত কোন অস্থাবর ভূমি হস্তান্তর করিতে পারেনা। নবদ্বীপের দাবিকৃত নিলামের বিষয়টি সম্পুন্ন মিথ্যা ও বানোয়াট। নিলাম সংক্রান্ত কোন কাগজ পত্র তারা উপস্থাপন করতে পারেনি। কোন জমি নিলাম হলে ছাপকবলা হয়না এমনকি তার কোন কাগজপত্রে ডিষ্ট্রিক বোর্ডের চেয়ারম্যানের কোন স্বাক্ষর নাই। তাড়াছাড়াও খাজনা বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তকর কেননা পিএস সীটে দাগ নম্বর আর জেলা পরিষদের মালিকীয় সিএস, পিএস ভূ’মি দাগের ভূমি সাথে তাদের ভূমি এক নয়। জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, তফসিল ভূমির কিছু অংশে বহুদিন থেকে জেলা পরিষদের একটি টিন সেড ঘর রয়েছে। এর মধ্যে কিছু অংশ ভ’মি অনেক বছর থেকে জেলা পরিষদ ইজারা প্রদান করে আসছে। জেলা পরিষদের টিন সেডের ঘর আর ইজারাদের দোকান ঘরের বেড়ার টিন ও চাল মেরামতের কালে রাসেল, সোহেল, নুরুল আমিন, সবুজ, রুবেল, নাছির, স্বপন চন্দ্র, সাদনান নান সহ ৩০/৪০ জন সংবদ্ধ একটি চক্র জেলা পরিষদের নির্মাণকৃত ঘর ভাংচুর ও স্টাফদের উপর হামলা করে। এই বিষয়টি নিয়ে থানায় একটি ইজাহার দায়ের করা হয়েছে বলে জানান নির্বাহী কর্মকর্তা।

জেলা পরিষদের মালিকানা জমি একসনা ইজারা প্রদানের মাধ্যমে রাজস্ব আদায়ক্রমে জেলার উন্নয়ন মূলক কাজ বাস্তবায়ন করে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here