রোগীদের নাজেহাল আর হয়রানি, সদর হাসপাতাল’

সবুজ জমিন রিপোর্ট ঃ লকডাউনের প্রথম দিন বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই পুলিশ-বিজিবি’র পাশাপাশি মাঠে রয়েছে সেনাবাহিনী ও র‌্যাব। বিভিন্ন স্থানে তাদের টহল লক্ষ্য করা গেছে। রয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। যানবাহন সংকটে দূর-দূরান্ত থেকে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে রোগীরা চিকিৎসা নিতে এসে ডাক্তারদের দ্বারা নাজেহাল ও চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন ।

লক্ষ্মীপুর সদর সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক যা আছে তার মধ্যে অধিকাংশ চিকিৎসক রোগীদেরকে নাজেহাল ও হয়রানি করেন প্রতিনিয়ত। সদর হাসাপাতালে দ্বিতীয় তলা ২১৫ নং রুমে জুনিয়র কনসালটেন্ট (শিশু) ডাঃ মোহাম্মদ মোরশেদ আলম এর বিরুদ্ধে এমনি অভিযোগ করেছেন কয়েকজন রোগী।

রোগীদের অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলবার দুপুরে সরোজমিনে গেলে আব্দুর রহিম নামে এক ব্যাক্তি প্রতিবেদককে বলেন ডাঃ মোহাম্মদ মোরশেদ আলম দ্বারা রোগীরা যে ধরনের কষ্ট আর ভোগান্তি, নাজেহাল শিকার হন সেটি আমি নিজে গিয়ে বাস্তব প্রমাণ পেলাম। তিনি আরো বলেন আমার ছোট ছেলেকে নিয়ে ডাঃ মোহাম্মদ খোরশেদ আলম গেলে রোগীর রোগের বর্ননা দেওয়ার সময় হঠাৎ রেগে গিয়ে ডাঃ আমার সাথে খারাপ আচারণ করেন এতে আমি ভীষণ কষ্ট পেয়েছি।

মোহাম্মদ ইউচুফ বলেন সদর হাসপাতালে চিকিৎসা পাওয়া খুব কঠিন৷ সরকারি হাসপাতালের সেবা নিয়ে কথা বলতে সত্যিই মন খারাপ লাগে। অনেক রোগী তাদের বক্তব্য তুলে ধরছেন ফেসবুক পাতায়৷
মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন ডাঃ মোহাম্মদ মোরশেদ আলম দেখাতে গেলে নিজের পরিচয় না দিলে ডাক্তারের কাছে মান-ইজ্জত তো থাকবেই না, বরং রোগীদের সাথে কুকুর-বিড়ালের মত আচরণ করে।
সবুজ জমিন প্রতিবেদক বলেন, তিনি এক শিশু রোগী নিয়ে গেলে ডাঃ মোহাম্মদ মোরশেদ আলম এমন ভাব দেখান মনে হলো তিনি রাষ্ট্রপতি। চিকিৎসকের আচরণে ক্ষুদ্ধ প্রতিবেদক খুব মর্মাহত হয়েছেন। প্রতিবেদক মিডিয়া কর্মী পরিচয় দিলে ডাক্তার বলেন কয়েক লাখ মিডিয়া তার কাছে রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে করোনা দোহাই দিয়ে আপনী রোগীদের নাজেহাল করেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বেশ উত্তেজিত হয়ে অদ্ভুত আচরণ করেন।

এ বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে লক্ষ্মীপুর সিভিল সার্জন আব্দুল গাপ্পার বলেন আমি বিষয়টি গুরুত্বের সহিত দেখতেছি।