লক্ষ্মীপুর থানায়  অভিযোগ করায় সাংবাদিকের হত‍্যার চেষ্টা 

লক্ষ্মীপুর থানায়  অভিযোগ করায় সাংবাদিকের হত‍্যার চেষ্টা

সবুজ জমিন: লক্ষ্মীপুরে আপন বড় ভাইয়ের হামলায় ৯ বছরের কন্যাসহ মারাত্মক জখম হয়েছেন দৈনিক লাখোকন্ঠ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি নুর মোহাম্মদ। সোমবার বিকাল ৫ টায় সদর উপজেলার ভাঙ্গাখাঁ ইউনিয়ন এলাকার আজিজিয়া জামে মসজিদের পাশে এঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা আহত পিতা- কন্যাকে উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে বলে ভুক্তভোগী সাংবাদিক নুর মোহাম্মদ  সবুজ জমিন  বিষয়টি নিশ্চিত করেন। খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন সাংবাদিক দের নেতা, লক্ষ্মীপুর সাংবাদিক কল্যাণ সংস্থার সভাপতি ভি বি রায় চৌধুরী, লক্ষ্মীপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আফজাল হোসেন, বাংলার মুকুল পত্রিকার বার্তা সম্পাদক ও বিশিষ্ট মেন্টর মিজানুর শামিম, সাংবাদিক জাবেদ, সাংবাদিক হোসেন চৌধুরী সহ প্রমুখ।

ভুক্তভোগী ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, একমাস পূর্বে নুর মোহাম্মদের কন্যাকে ঘরে ঢুকে মারধর করে রক্তাক্ত জখম করার জেরে লক্ষ্মীপুর সদর থানায় অভিযোগ করার ফলশ্রুতিতে ২৬ এপ্রিল সোমবার বিকাল ৫ টার সময় লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ভাঙ্গাখাঁ ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডস্থ আব্দুল আজিজ মিস্ত্রিরি বাড়ির রুহুল আমিনের দুই পুত্রের মাঝে কথা কাটাকাটি হয়। এতে একপর্যায়ে বড়ভাই মোঃ এছাক অতর্কিত ভাবে ছোট ভাই নুর মোহাম্মদের উপরে হামলা চালায়। এসময়ে পিতার সাথে থাকা সাংবাদিক নুর মোহাম্মদ এর ৯ বছরের কন্যাকে পিটিয়ে তার ডান হাত ভেঙ্গে দেয় আক্রমণকারী মোঃ এছাক মিয়া।

 

স্হানীয়রা উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করলে কর্তব্যরত চিকিৎসক অবস্থা অবনতি দেখে হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে চিকিৎসা প্রদান করেন। সাংবাদিক নুর মোহাম্মদ সদর হাসপাতালে নতুন ভবনের দ্বিতীয় তলার সার্জারি বিভাগের ৫ নং বেডে চিকিৎসাধীন আছেন।
এদিকে মোঃ এছাক মিঞার কাছে জানতে চাইলে তিনি সত্যতা শিকার করে বলেন আমার ভাই নুর মোহাম্মদ হুন্ডার উপরে ছিল, কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আমরা উভয়ে উত্তেজিত হয়ে পড়ি এবং আমার ভাই গাড়ি থেকে নামতে দেরি হওয়ায় কাছে থাকা কঠের লাঠি আমি হাতে নেই। দুজনের ঠেলাঠেলিতে কোনএকসময়ে আঘাত লেগে গিয়ে রক্তপাত হয়।
এই বিষয়ে লক্ষ্মীপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ পরিদর্শক মোঃ জসিম বলেন, এখনো কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে গণমাধ্যম কর্মীদের জানান।