লক্ষ্মীপুরের হামছাদীতে আবারও শিশু ধর্ষণ

সবুজ জমিন: লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা 2 নং দক্ষিণ হামছাদী ইউনিয়ন নন্দলালপুর 7 নম্বর ওয়ার্ডে 7 বছরের শিশু কে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে নূরানী মাদ্রাসার শিক্ষক ও নন্দলালপুর গ্রামের মসজিদের ইমাম সাদ্দামের বিরুদ্ধে। অপর দিকে ধর্ষণের বিষয়টি ধামাচাপা দিতে স্থানীয়ভাবে যারা বৈঠকে 75 হাজার টাকা রায় প্রদান করেন তারা হলেন।

বাতেন পাঠান, পিতা জালাল পাঠান, ওমর হাওয়ালার,পিতা ইমাম হোসেন, কামাল,পিতা আলী আহম্মেদ, সুমন, পিতা শফিউল্লাহ নুরনবী,শাহাদাত, আলম, রনি, পিতা,নুরআমিন।

বর্তমানে ভিকটিম ও তার অভিভাবক লক্ষ্মীপুর সদর থানায় আছে। অভিযুক্ত সাদ্দামকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে এবং বিষয়টি ধামাচাপা দিতে স্থানীয়ভাবে যারা 75 হাজার টাকার বিচারের রায় প্রদান করেছেন তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে বলে প্রতিবেদককে জানিয়েছেন লক্ষ্মীপুর সদর থানার ওসি তদন্ত শিপুন বড়ুয়া।

স্থানীয় এলাকাবাসী ও জান্নাতের পরিবার সূত্রে জানা যায় বিষয়টি ধামাচাপা দিতে বৃহস্পতিবার রাতে স্থানীয় আট-দশজন মাতাব্বর একটি বৈঠক করেন। উক্ত বৈঠকে জান্নাতের পরিবারকে 75 হাজার টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত উপনীত হয়।

শিশুটির মা প্রতিবেদককে জানান তার মেয়ে হঠাৎ করে সাত-আট দিন মাদ্রাসা যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। তাকে একাধিকবার বলা হলেও সে মাদ্রাসা যেতে  রাজি হয়নি। পরবর্তীতে শিশুটিকে মারধর করে শিশুটি জানায় হুজুর  সাদ্দাম  খারাপ লোক। সে আমার শরীরের বিভিন্ন স্থানে খারাপ কাজ করে এবং আমাকে মারধর করে এবং আমি আপনাদের কাউকে জানাইনি এবং মাদ্রাসা জীবনে যাবনা। শিশুটি আরও জানায় সাদ্দাম হুজুর আরও 3/ 4 টা মেয়ের সাথে খারাপ কাজ করেছে।

বিষয়টি গনমাধ্যম ও স্থানীয় প্রশাসন নজর আসার পরপরই আইনি ব্যবস্থা নিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও ভিকটিম জান্নাতকে থানা নিয়ে যায় পুলিশ। বর্তমানে অভিযুক্ত সাদ্দাম পলাতক রয়েছে।

সাদ্দাম : পিতা মুজিবুল হক হাওলাদার বাড়ি 7 নম্বর ওয়ার্ড আলিপুর গ্রাম নন্দলালপুর গ্রামের মসজিদের ইমাম সাদ্দাম হোসেন।

স্থানীয়রা জানান প্রায় দু’বছর পূর্বে হিরা নামে স্কুলছাত্রী ধর্ষণে মারা যায়। সাপ্তাহিক পূর্বে এক নববধূকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায় আহমদ নামে এক ব্যক্তি। ওই ঘটনার তাপ যেতে না যেতেই ফের আবারও ঘটলো শিশু ধর্ষণ