লক্ষ্মীপুর ০২ উপ-নির্বাচনে আ,লীগের মনোনয়নপত্র নিয়েছেন যারা

 

সবুজ জমিনঃ
লক্ষ্মীপুর ০২ জাতীয় ২৭৫, রায়পুর আসন থেকে উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতীক নৌকার টিকিট পেতে ধানমন্ডি দলীয় অফিস থেকে ১২ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন আওয়ামীলীগের একাধিক  প্রার্থীদের মধ্যে দলীয় মনোনয়নপত্র যাদের নাম আসছে তাদের মধ্যে আছেন-( ০১) লক্ষ্মীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মেয়া গোলাম ফারুক পিংকু,(০২) সাধারণ সম্পাদক এড. নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন, (০৩) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীয়া বিষয়ক সম্পাদক সাবেক এমপি হারুনুর রশিদ, (০৪) জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক এহসানুল কবির জগলুল, (০৫) আমরা কজন মুজিব সৈনিক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা এফ এম জসিম উদ্দিন, (০৬)বাংলাদেশ কৃষক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক লক্ষ্মীপুরের কৃতি সন্তান  হিজবুল বাহা রানা আফসারি (০৭) বর্তমান কেন্দ্রীয় যুবলীগের কমিটির-পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক সামছুল ইসলাম পাটওয়ারী, (০৮) বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের এড. সালাহ উদ্দিন রিগান, (০৯) সাইদুল বাকীন, (১০) মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন বি এল এফ কমান্ডার নবী নেওয়াজ করিম চৌধুরী (বকুল চৌধুরীর) সহধর্মিনী রেশমা সুলতানা।

এ ছাড়াও যারা প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা হলেন কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ আলী খোকন, ঢাকা মহানগর উত্তর  আওয়ামী লীগের নির্বাহি কমিটির সদস্য আবুল কাশেম, এড. জসিম উদ্দিন পিপি, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান, রায়পুর উপজেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক হারুনের রশীদ।

অপর দিকে বিএনপির নেতাকর্মীরা সাবেক এমপি আবুল খায়ের ভূঁইয়ার পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন। গত নির্বাচনেও তিনি এ আসনে ধানের শীষ নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। সাবেক দুই বারের এমপি খায়ের ভূঁইয়া বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি।

এছাড়াও, জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক এম আর মাসুদ ও নোয়াখালী জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক বোরহান উদ্দিন মিঠুর নামও শোনা যাচ্ছে।

জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মো: গোলাম ফারুক পিংকু সবুজ জমিনকে বলেন ‘২০১৮ সালের নির্বাচনে সদর আসন থেকে মনোনয়ন পেয়েছিলাম। পরে সাবেক মন্ত্রী শাহজাহান কামাল ও দলের অনুরোধে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করি। এবার লক্ষ্মীপুর-২ আসনে মনোনয়ন চাইবো।’ তিনি আরও বলেন, ‘নেত্রী যদি আমাকে যোগ্য মনে করে মনোনয়ন দেন তাহলে আমি নির্বাচন করব। যদিও ২০১৮ সালের নির্বাচনে এ আসনটি মহাজোটের শরিক জাতীয় পার্টিকে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু জাতীয় পার্টির প্রার্থী তা বিক্রি করে দিয়েছিলেন। আশা করি, নেত্রী এবার এ আসনে আমাদের দলীয় মনোনয়ন দেবেন।’

রায়পুরের বাসিন্দা নোয়াখালী জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক বোরহান উদ্দিন মিঠু সবুজ জমিনকে বলেন, ‘রায়পুরে জনগণ বরাবরই উন্নয়নবঞ্চিত। এখন উপ-নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। আমি দল থেকে মনোনয়ন চাইবো।’

স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, পাপুলের এমপি পদ শূন্য ও উপ-নির্বাচনকে ঘিরে সম্প্রতি আওয়ামী লীগের কয়েকজন মনোনয়নপ্রত্যাশী এলাকায় আসা-যাওয়া বাড়িয়ে দিয়েছেন।