লক্ষ্মীপুরে বেড়ীর বাঁধ খালে অবৈধ স্থাপনার হিড়িক

 

সবুজ জমিন: লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার বেড়ীর বাঁধ কোল ঘেঁষে বয়ে যাওয়া প্রবাহিত পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বাপাউবো) বেড়ীর খাল দখল করে বহুতল বাণিজ্যিক ভবনসহ অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের হিড়িক চলছে।

রাজনৈতিক পরিচয়, পেশী শক্তির ব্যবহার করে প্রভাবশালী মহলের একাধিক সিন্ডিকেট ছত্রছায়ায় মহাসড়কের পাশে বেড়ীর বাঁধ ও বরোপিট খাল লক্ষ্মীপুর বেড়ীর মাথায় ব্রিজের দক্ষিণ পাশে একের পর এক সরকারি জমি দখল করে পাকা স্থাপনা নির্মাণ চললেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অবৈধ স্থাপনাকারীদের বিরুদ্ধে আইননুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে লক্ষ্মীপুর সদর থানা একটি চিঠি দিয়ে দায় এড়িয়ে নীরব ভূমিকা পালন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে খাল রক্ষার দাবি জানিয়ে জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সুদৃষ্টি এবং সংবাদকর্মীদের বরাবর একটি অভিযোগ করেন সচেতন এলাকাবাসী।

অভিযোগে জানা গেছে, চাঁদপুর পওর বিভাগ, বাপাউবো, চাঁদপুর লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার একাংশ পৌরসভার ১৫ নং ওয়ার্ডে বেড়ীর খালে বহুতল বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ করেছেন স্থানীয় লাতু মিয়া পিতা মজিবুল হক, শফিকুর রহমান, মাসুদ পিতা:ডাঃ আবুল কালাম সহ ৪/৫জন দখলদার। অন্যদিকে নতুন বেড়ীর খালে বাণিজ্যক ভবন নির্মাণ করছেন বাবু, জসিম, কাশেম, সেলিম সহ ৪/৫ জন প্রভাবশালী মহল।

তবে ওই জায়গার তাদের নামে কোনো কাগজ বা রেকর্ড কিছুই দেখাতে পারেননি স্থাপনা নির্মাণকারী শফিকুর রহমান। কথোপকথনে তিনি বলেন চাঁদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড বরাবর একটি আবেদন করা হয়েছে তারা মৌখিক ভাবে অনুমতি দিয়েছে কিন্তু কাগজিক কোন কিছু এখনো পায়নি।

চাঁদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডে (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম রেফাত জামিল সবুজ জমিন কে বলেন, যারা পাউবো জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করিতেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে লক্ষ্মীপুর মডেল থানায় এজহার করেছি এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার লক্ষ্মীপুর সদর কে অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য একটি অনুলিপি দেওয়া হয়েছে যার স্বারক নং উ.স.প্র/রায়/শা-১/২০২১/১১৫/। এছাড়াও শীগ্রই লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে সকল অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।
এ বিষয়ে লক্ষ্মীপুর মডেল থানা এস.আই আবুল বাশার খন্দকার প্রতিবেদককে বলেন, বাংলাদেশ পানি উন্নায়ন বোর্ড রায়পুর পওর শাখা-১(সদর) কর্মকর্তার এজহারের ভিত্তিতে সরোজমিনে গিয়ে পরিদর্শন করা হয়েছে। অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক আনোয়ার হোছাইন আকন্দ সবুজ জমিন কে বলেন, চাঁদপুর পওর বিভাগের আওতায় ভূক্ত লক্ষ্মীপুর অংশবিশেষ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এর বিষয়টি দেখবো।