লক্ষ্মীপুরে স্কুল শিক্ষক পরিবারের সদস্যদেরকে কুপিয়ে জখম

সবুজ জমিন প্রদিবেদক:
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার লাহারকান্দি ইউনিয়নের চাঁদখালী গ্রামে জায়গা জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক স্কুল শিক্ষকের পরিবারে সদস্যদেরকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে সোহেল বাহিনীর বিরুদ্ধে।

এতে নারী-পুরুষসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে। আহতরা হলেন, সালেহা বেগম (৬৩), আক্তার নেছা (২৫), মুন্নী (৩৫), তানজু আক্তার (২১), জান্নাতুল নাহিম (২০), আশাফ্র নেছা (২৭), মাহিনুর আক্তার (২১) ও মফিজ নামে এক ব্যাক্তি মাথা ফেটে আহত হন।

বৃহস্পতিবার (০৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সদর উপজেলার চাঁদখালী গ্রামের পাঁচু হালাদার বাড়ীতে এ মারামারি ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তির জন্য পাঠান।

এ ঘটনার পরপরই মেয়ের শুশুর মহিউদ্দিন বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় ৫ জনের নাম উল্লেখ ও ১০-১২ জনকে অজ্ঞাত করে একটি মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একই বাড়ীর মহিউদ্দিন মাষ্টার ও তার প্রতিবেশী আব্দুল হকের সাথে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে দীর্ঘদিন থেকে। আবদুল হকের ছেলে সোহেল জোর পূর্বক মহি উদ্দিন মাষ্টারের বসত ঘরের দরজার সামনে দেয়াল উঠিয়ে পথ অবরুদ্ধ করলে,লক্ষ্মীপুর সদর থানায় একটি অভিযোগ করে মহিউদ্দিন মাষ্টার, এর পরিপেক্ষিতে পুলিশ তদন্ত করতে আসে। পুলিশ চলে যাওয়ার পর সোহেল তার বাহিনী নিয়ে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মহি উদ্দিন মাষ্টারের ঘরে ডুকে তার পরিবারে সকল উপর দা, চেনী দিয়ে কুপিয়ে আহত করে।

মহি উদ্দিন মাষ্টার জানান, সোহেল এর পূর্বে আমার পরিবারে উপর হামলা চালিয়ে আমার ঘর ভাংচুর করে এবং লুটপাট চালায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বহিরাগত সন্ত্রাস দিয়ে আমার ঘরে ডুকে আমার স্ত্রী, মেয়ে, ছেলের বৌ সকলকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করে। আমি সদর থানা একটি মামলা করেছি।

লক্ষ্মীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুর রহমান বলেন, মারামারি ঘটনা শুনে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এঘটনায় মামলা হয়েছে যার রেজিষ্ট্রেশন নং জি আর ৫১২/২০ ভিত্তিতে অভিযুক্ত প্রধান আসামী সোহেলকে গ্রেফতার করা হয়েছে বাকিদের গ্রেফতার করার অভিযান চলছে।