রামগঞ্জে “করোনা” সরকারী নির্দেশনা মানছেননা হামিদ সিরামিক লি:

সবুজ জমিন প্রতিবেদক : লক্ষ্মীপুরে রামগঞ্জে করেনা প্রতিরোধে সরকারী নির্দেশনাকে তোয়ক্কা না করেই শ্রমিক দিয়ে ব্রিজের নিমাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন হামিদ সিরামিক লিমিটেড এর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে স্থানীয়রা।
অভিযোগের ভিত্তিতে আজ মঙ্গলবার সকাল ১১টায় সরোজমিনে গিয়ে দেখা যায় হামিদ সিরামিক্স লিমিটেড মালিক হামিদ তার পচন্দের ঠিকাদার শাহবুদ্দিন ২০/২৫জন শ্রমিক দিয়ে ব্রিজের নির্মাণ কাজ করিতেছে। এই সময় এলাকাবাসী সাংবাদিককের জানান, বর্তমানে সরকারী ভাবে নির্দেশনা আছে সরকারী ও বেসরকারী ও সহ অধিকাংশ ব্যবসায়ী দোকান পাট বন্ধ ঘোষনা করছে সেখানে কেম্পানীর মালিক সরকারী এসব নির্দেশনা মানছেননা। তিনি প্রতিদিনই তাঁর ব্রিজের কাজ শ্রমিক দিয়ে কাজ অব্যাহত রেখেছেন। স্থানীয় আরো বলছেন, যে জায়গায় ব্রিজ নির্মাণ চলছে সে ভূমিটি পানি উন্নয়ন বোর্ড ও জেলা পরিষদের ভূমি। সরকারী জায়গায় মালিকানা ভূমি কি ভাবে নির্মাণ করছে তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন।

এসময় কর্মরত শ্রমিকরা সাংবাদিকদের বলেন, আমরা মালিককে বলছি এখন করোনা ভাইরাসে কারনে কাজ বন্ধ রাখার জন্য কিন্তু মালিক তা মানছেন না। একপর্যায়ে শ্রমিকদের কাজ করাতে বাধ্য করছেন তারা। তারা আরো বলছেন বেশীর বাগ শ্রমিক ময়মিং সংহ ও নেত্রকোনা জেলার। তাই তারা অসহায় বাধ্য হয়ে কাজ করছেন । শ্রমিকরা আরো জানান, তারা অধিকাংশ এস এসসি পরিক্ষা শেষে পেটের দায়ে এখানে কাজ করছেন কিন্তু কম্পানি জোরপূর্বক নির্ধারিত সময়ের চেয়েও প্রতিদিন ২ ঘন্টা বেশী করে খাটাচ্ছেন। দেশের দুর্যোগ মূহুত্বে তারা নিজ জেলায় যেতে চাইলেও কম্পানী তাও বাধা দেচ্ছে বলে শ্রমিকরা ক্ষোভ প্রকাশ করছেন ।

এই সময় সাব ঠিকাদার শাহবুদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, প্রধান ঠিকাদার রাসেল নির্দেশনায় তিনি শ্রমিক দিয়ে কাজ করাচ্ছেন আপনাদের কিছু বলার থাকলে রাসেল কে বলুন। সরকারী জায়গার উপরে ব্রিজ নির্মাণ হচ্ছে এটি নিশ্চিত করেছেন শাহবুদ্দিন।

এ বিষয়ে মুঠোফোনে ঠিকাদার রাসেল জানান, শ্রমিক কাজ না করলে খাবে কি করে তাই তারা কাজ করছে। করোনায় বিষয়ে সরকারী নির্দেশনা বিষয়ে তিনি কোন সুদুত্তর না দিয়ে ফোন কেটে দেন। ঘন্টা খানেক পরে ঠিকাদার রাসেল এর আরেক সহকর্মী জুয়েল রানা পাটওয়ারী মোবাইল ফোনে ফোন দিয়ে সাংবাদেককে সাথে বাজে আচারণ করেন।
ইউপি পরিষদের চেয়ারম্যান মাহেনারা পারভীন পান্না প্রতিবেদককে জানান, এখানে হামিদ সিরামিক লিমিটেড মালিক হামিদ সাহেব এতো বড় প্রতিষ্ঠান দিয়েছে এবং খালের উপর ব্রিজ নির্মাণ করছে তা পরিষদের কেউ নিয়মতান্ত্রিক ভাবে অবগত নয়। তবে করোনার এ মুহুত্বে ব্রিজের নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাওয়া ঠিক হয়নি। তারপরও সেখানে গিয়ে শ্রমিকদের কাজ বন্ধ করে দিব।
রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুনতাসির জাহান মুঠোফোনে সাংবাদিককে বলেন, ইউপি পরিষদের চেয়ারম্যান কে ঘটনাস্থালে পাঠাচ্ছি হামিদ সিরামিক লিমিটেড মালিক হামিদ এই মূহুত্বে যেন শ্রমিক দিয়ে কাজ বন্ধ করে দেয়।
এ বিষয়ে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহাজান বলেন এ সময়ে শ্রমিক দিয়ে বিজ্রের নির্মাণ কাজ করা সমিিচন নয় বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানাবো। যে খালে ব্রিজটি নির্মাাণ করছে তা জেলা পরিষদের জায়গা কিনা তা নিশ্চিত করতে সারর্বেয়ার পাঠানো হবে।

এ বিষয়ে জানতে হামিদ সিরামিক লি:মি এর হামিদ মুঠোফোনে ০১৭১১৮৪২৭৫৬ ফোন করলে তিনি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেয়া যায়নি।