“করোনা” লক্ষ্মীপুরে শহর ফাঁকা, ইউনিয়নে ঈদবাজার

সবুজ জমিন লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: গোটা বিশ্ব যখন করোনা আতঙ্কিত এবং বিশ্ব স্থবির হয়ে পড়ছে আর এই মুহুত্বে করোনা প্রতিরোধে বাংলাদেশ সরকারের কোন নির্দেশনা মানছেন না লক্ষ্মীপুরের ইউনিয়নের বাসিন্দারা । বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা যায় গ্রামের চায়ের দোকান ও বিভিন্ন দোকানে ঈদের বাজার চলছে।
২৬ মার্চ লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে বলছেন লক্ষ্মীপুরের পৌরসভা সহ সকল ইউনিয়নের হাট বাজার বন্ধ থাকবে, সকল ধরনের হোটেল, চায়ের দোকান বন্ধ থাকবে. শুধুমাত্র ঔষধের দোকান ও কাঁছাবাজার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। জেলা প্রশাসনের এমন নির্দেশনা থাকলোও কোন তোয়াক্কাই করছেননা ইউনিয়নের বাসিন্দা ও দোকানদাররা।
পুরো শহর কয়েকটি ইউনিয়নে ঘরে মনে হল শহর ফাঁকা আর ইউনিয়নের চায়ের দোকানে ঈদের বেছাকিনা চলছে।

আজ শনিবার ২৮ মার্চ সদর উপজেলা ৪নং চররুহিতা ইউনিয়নে ঘুরে দেখা যায়, ৭নং ওয়ার্ডে দাপটের সহিত সেলিম মেম্বারের দোকান চালাচ্ছেন তার বাড়াটিয়া ছাহেদ, তখন দোকোনের সামনে গা ঘেঁষাঘেষি করে বসে আছে ২৫/৩০ জন মানুষ। বেড়ীর উপরে ৪ নং ওয়ার্ডেও একাধিক দোকনে বসে প্রাই শতাধিক মানুষ। করোনায় বিষয়ে সরকারী নির্দেশনা কেন মানছেন না জানতে চাইলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে সরকারী নির্দেশনার প্রতি বিরুপ মন্তব্য করে বাজে আচরণ করেন। এ সময় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কবির পাটওয়ারী মোবাইল বন্ধ পাওয়ায় তাৎক্ষণিক তার বক্তব্য নেয়া যায়নি।
অপর দিকে সদরের ২০নং চররমনী ইউনিয়ন.৩নং দালাল বাজার ইউনিয়ন, ২নং দক্ষিণ হামছাদি. ১নং উত্তর হামছাদি ইউনিয়ন, ৫নং পার্বতী নগর ইউনিয়নে একই চিত্র দেখা যায়।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেদোয়ান শাকিল আরমান মুঠোফোনে যানান, প্রত্যেকটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানকে করোনার বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া আছে। মানুষ ও ব্যবসায়ীরা সরকারী নির্দেশনা মেনে চলার জন্য মানুষকে এইসব বিষয়ে সচেতন করার জন্য। বিষয়টির বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান কবির পাটওয়ারী কে বলছি।।

এর কিছুক্ষন পর কবির পাটওয়ারীর ফোনে কল করলে তিনি রিসিভ করে প্রতিবেদককে বলেন আদা ঘন্টার মধ্যে ব্যবস্থা নিচ্ছি।