লক্ষ্মীপুরে দশম শ্রেনীর ছাত্রীকে দু’মাস রেখে বখাটে যুবক উধাও

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি ॥ লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা চররুহিতা ইউনিয়নের রফিকুল ইসলামের মেয়ে দশম শ্রেনী পড়ুয়া স্কুল ছাত্রী আছমা আক্তারকে জোর পূর্বক তুলে নিয়ে যায় পাশবর্তী বখাটো যুবক আজিম। ২ মাস মেয়েটিকে আটক রেখে জোর করে একাধিকবার শারীরিক নির্যাতন করে এই বখাটো যুবক। মেয়েটি তার বাবার কাছে যেতে চাইলে আজিম তাকে মারধর করে। অবশেষে ২মাস পর দশম শ্রেনীর ছাত্রী আছমাকে বাড়ীর পাশের একটি বাগানে রেখে পালিয়ে গেল বখাটো যুবক আজিম। ঘটনাটি ঘটেছে ২৩ ফেব্রুয়ারী রবিবার রাত ২টায় সদর উপজেলা ৪ নং চররুহিতা ইউনিয়নে ১ নং ওয়ার্ডে। বখাটো যুবক হলেন, আজিম: পিতা ফারুক, ১নং ওয়ার্ড, আছমা আক্তার পিতা রফিকুল ইসলাম, ওয়ার্ড ০৯, ইউনিয়ন চররুহিতা, সদর: লক্ষ্মীপুর। বখাটে আজিম এর পুর্বে একটি বিয়ে করেছেন ঐ ঘরে ২টি সন্তান রয়েছে।

আছমার স্বজনরা জানান, ২ মাস পুর্বে বখাটো ফারুক এস এসসি পরিক্ষার্থী আছমাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। এই নিয়ে সদর থানায় জিডি করেন আসমার মা রাবেয়া খাতুন। পুলিশ ও তাঁর স্বজন অনেক চেষ্টা করেও আছমাকে উদ্ধার করতে পারেনি। গত ২৩ ফেব্রুয়ারী রাত ২টায় আজিম আছমাকে তার বাড়ির আঙ্গিনা ফেলে পালিয়ে যায়।

আছমার বোন প্রতিবেদককে জানান, তার বোন আছমা স্কুল যাওয়ার সময় পথ থেকে তুলে নিয়ে যায় আজিম। প্রায় ২ মাসর পর আছমাকে কৌশলে এলাকায় এনে রাতের অন্ধকারে বাগানে ফেলে সে উধাও হয়ে যায়। খবর পেয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য গোফরান উদ্দিন সহ কয়েকজন গন্যমান্য লোকজন নিয়ে আছমাকে উদ্ধার করা হয়।

তবে বর্তমানে আছমা আক্তার ও তার মা রাবেয়া খাতুন কোথায় আছেন এ বিষয়ে কোন সঠিক তথ্য জানাতে পারেননি তাঁর বোন।

ইউপি সদস্য গোফরান উদ্দিন প্রতিবেদককে জানান, বিভিন্ন ভাবে জানতে পারেন গত রাতে ১নং ওয়ার্ডের একটি বাগানে আছমা আক্তারের সন্ধান পাওয়া গেছে। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে তার মায়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া তিনি আরো জানান, ১নং ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য মন্টু ছেলের দায়িত্ব নিয়েছেন। শনিবারের এ নিয়ে বৈঠক হবে।

এ বিষয়ে সদর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুর রহমানের সাথে মুঠোফোনে যোগযোগ করলে তিনি বলেন বিষয়টি তাকে কেউ অবগত করেননি।