চররুহিতা ইউনিয়নে ড্রেজার মেশিনে লবন,পাইব পুড়িয়ে দিয়েছে প্রশাসন

সবুজ জমিন প্রতিবেদক: অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে লক্ষ্মীপুরের চররুহিতা ইউনিয়নে একটি ড্রেজার মেশিনে লবন ও আগুন দিয়ে পাইব পুড়িয়ে দিয়েছে প্রশাসন। সোমবার সকাল ১১টার দিকে সদর সহকারী এসিল্যান্ড (নির্বাহী ম্যাজিস্টেট) এর প্রতিনিধি ইউনিয়নের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মহি উদ্দিরে নেতৃত্বে চররুহিতা ইউনিয়নে ৫নং ওয়ার্ডে নতুন বেড়ীর পাশে অভিযান চালানো হয়। ।

ইউনিয়নের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মহিন উদ্দিন সবুজ জমিনকে জানান, সদর উপজেলার চররুহিতা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডে মাসখানেক থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে আবুল বাশারের ছেলে জুলাশ। স্থানীয় শামছুল ইসলামের ছেলে সুমন ও আমিন উল্যাহ ছেলে মোস্তফার পরিবারের সদস্যদের সাথে বড় অংকের টাকার বিনিময়ে তাদের জমির খালি জায়গা বালু দিয়ে বরাটে কাজটির কন্টাক নেয় জুলাশ।

খবর পেয়ে তিনি উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে এ অভিযান চালানো হয়। পরে একটি ড্রেজার বেশ পরিমান লবন দিয়ে মেশিনটিকে অকেজো করা হয় এবং ও তিনশ মিটার পাইপ ধ্বংস করা হয়। উত্তোলনকৃত বালু জব্দের বিষয়ে উধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরে বালু খেকো জুলাস সহ একটি চক্র ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করে আসছিল । এতে দুই পাশে তীব্র ভাঙনের সৃষ্টি হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ব্যাক্তি প্রতিবেদককে জানান, বালু খেকো জুলাশ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সরকারী দলের বেশ কিছু প্রভাবশালী নেতাকে ম্যানেজ করে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করে অবৈধ এ ব্যবসা করে আসছে। জুলাস যখন যে এলাকা বালু উত্তোলন করে সে, সর্বপ্রথম মসজিদ, মাদ্রাসা, মকতব কে টার্গেট করে। যে কোন একটিকে সাইন বোর্ড হিসেবে ব্যবহার করে অত্র এলাকায় একাধিক স্থানে কন্টাকের বিনিমিয়ে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করে। আশপাশের কোন ভুক্তভোগী প্রতিবাদ করলে তার উপর চড়া হয়ে তাকে গালমন্দ, মারধরের হুমকী ধামকী দেয়। তার ভয়ে স্থানীয় কেউ মুখ খুলছেনা । অভিযুক্ত জুলাশের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে প্রশাসেন প্রতি জোর দাবি জানান ভুক্তভোগী।