চেয়ারম্যান,স্টাফ বিহীন চলছে লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদ

সবুজ জমিন প্রতিবেদক: লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের কার্যক্রম মুখথুবড়ে পড়ছে বলে দৈনিক সবুজ জমিন কার্য্যালয়ে এসে তীব্রক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কয়েকজন ভুক্তভোগী আব্দুর রহিম, জাহাঙ্গীর, শামিম, নুর মোহাম্মদ।


অভিযোগকারীরা জানান, লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের গেলে তাদের কোন পাত্তাই দিচ্ছেন না কর্তব্যরত কর্তারা। আর প্রাই সময় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মহোদয়ের অফিস বন্ধ থাকে। চেয়ারম্যানের অনুপুস্থিতির সুবাদে অন্যান্যে স্টাফরা কর্মস্থলে নিয়মিত আসেন না। যে দুই একজন আসেন তা সকালে এসেই ঘন্টাখানেক থেকেই চলে যান তাদের নিজস্ব কর্মস্থলে। তারই অভিযোগের আলোকে ৫ নভেম্বর ২০১৯ সোমাবার ৩টায় লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদে হাজির দৈনিক সবুজ জমিন প্রতিনিধি সহ কয়েকজন সাংবাদিক।

এসময় দেখা যায় পুরো জেলা পরিষদ পাঁকা, ৪/৫জন ভুক্তভোগী বসে আছেন, তারা বলছেন এটি কেমন জেলা পরিষদ একজন কর্মকর্তাও নেই। আমরা অনেক দুর থেকে এসেছি কোন কাজই হলনা। সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফার অফিস কক্ষে তালা,

উপ সহকারী প্রকৌশলী মো: নজিবুল হক সরকারের অফিস কক্ষ (বন্ধ) তালা, নিম্মমান সহকারী মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন অফিস কক্ষ (বন্ধ) তালা। হিসাব রক্ষক আতিকুল হক চৌধুরী অফিস কক্ষ বন্ধ। সাভেয়ার মিজানুর রহমান অফিস কক্ষ (বন্ধ) তালা, মোহাম্মদ রুহুল কদ্দুস গোপনীয় সহকারি অফিস কক্ষ (বন্ধ) তালা, আলহাজ্ব মো: শাহজাহান চেয়ারম্যান জেলা পরিষদ, লক্ষ্মীপুর অফিস কক্ষ (বন্ধ) তালা।

অভিযোগ রয়েছে লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের কর্মকর্তাসহ সকল স্টাফ রাজার হালে চাকুরি করছেন, কর্মস্থলে না এসেও মাসিক বেতন নিয়মত তুলে নিচ্ছেন, জেলা পরিষদের জায়গা গুলো উৎকোচের বিনিমিয়ে পচন্দের লোকদের কে নথি বানিয়ে লিজ দিচ্ছেন, পরিষদের ইজারা দরপত্র গোপনীয় ভাবে বিজ্ঞপ্তি দিচ্ছেন পচন্দের সাংবাদিকদের কে, পরিষদের কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে কাজ গুলো হাতিয়ে নিচ্ছেন পচন্দের ঠিকাদারা। সব মিলিয়ে পরিষদের কার্যক্রম চলছে হ জ ব র ল। চোখ রাখুন আগামী পর্বে ০২—————–।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান সবুজ জমিনকে জানান, আমি রামগঞ্জে জেলা পরিষদের একটি জায়গা পরিদর্শনে এসেছি। যদি কোন অফিসার কর্মস্থলে না আসে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।