লক্ষ্মীপুরে অনৈতিক কাজে ধরা পড়ে বিপাকে বিএনপির নেতা

 

সবুজ জমিন প্রতিবেদক : লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা ৪নং চররুহিতা ইউনিয়নে রসুলগঞ্জ বাজারের পাশে হেদায়েত উল্ল্যাহ ভুইয়া বাড়ীতে পরকীয়ায় সম্পর্ক জের ধরে শুক্রবার ভোর রাতে প্রবাসী কামালের স্ত্রীর সাথে অনৈতিক কাজ করতে গিয়ে ধরা পড়ে ৪নং চররুহিতা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ন সম্পাদক ও বীমা কর্মকর্তা মাসুম ভুঁইয়া। ঘটনা দেখে ফেলায় দেবর জামালকে হত্যা করার চেষ্টা করেন বলে স্বপ্না মাসুমের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন দেবর আবিদ হোসেন জামাল।

এই নিয়ে স্থানীয় সর্বস্তরের মানুষের মাঝে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি সামাজিক ভাবে সমাধানে গন্যমান্য ব্যাক্তিদের দ্বারে দ্বারে ধরনা দিচ্ছেন বিএনপির নেতা মাসুম।

স্থানীয় এলাকাবাসী প্রত্যক্ষদর্শী সুত্র জানায়, দীর্ঘদিন থেকে মাসুম একই বাড়ীর প্রবাসি কামালের স্ত্রীর সাথে পরকীয়া লিপ্ত। কামালের ছোট ভাই জামাল প্রতিবেদককে জানান, পাশবর্তী মাসুম শুক্রবার রাত ২টার দিকে তার ভাবীর ঘরে গিয়ে অবস্থান নেয়। এসময় কারেন্ট ছিল না। হটাৎ স্বপ্নার ঘরে আলো জ্বলে উঠায় তিনি তার ঘর থেকে বের হয়ে স্বপনার ঘরে দিকে গেলে মাসুম টের পেয়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। এসময় তিনি মাসুমকে জাবাড়ে ধরে আটকানোর চেষ্টা করেন। দস্তাদস্তির একপর্যায়ে মাসুম ও স্বপ্না তাকে বেদম প্রহার করেন। একপর্যায়ে আবিদ হোসেন জামালকে হত্যার চেষ্টা করে স্বপ্না ও মাসুম। কিন্তু জামালের শৌর চিৎকারে আশপাশের মানুষ বের হলে মাসুম দ্রুতগতিতে পালিয়ে যায়।

একই বাড়ীর আবুল বাশার প্রতিবেদককে বলেন, জামালের চিৎকারে আমরা দৌড়ে এসে দেখি মাসুম জামালকে প্রহার করিতেছে। এসময় আমাদেরকে দেখে মাসুম দৌড়ে পালিয়ে যায়। আবুল বাশার আরো জানান ঘটনাস্থল থেকে মাসুমের পরনের লুঙ্গি ও পাড়ের জুতা পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বপ্না প্রতিবেদককে জানান, তার দেবর জামাল তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এনেছে তা মিথ্যা ও ষড়যন্ত্র। তবে তাঁর ঘরের সামনে রাত ২টার সময় জামাল ও মাসুমের সাথে হট্রগোলের আওয়াজ তিনি শুনেছেন। তিনি তার বসত ঘর থেকে বের হননি। প্রতিবেদকের নিকট উল্টো জামালের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন স্বপ্না।

এ বিষয়ে জানতে মাসুমের ঘরে প্রতিবেদক গিয়ে দেখা যায় মাসুমের ঘরের দরজা বন্ধ । কাউকে না পাওয়ায় মাসুমের বক্তব্য নেয়া যায়নি।

স্থানীয় ইউপি মেম্বার আবুল বাশার বলেন, ঘটনাটি পাশে এলাকায় ঘটেছে । এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করছি স্থানীয় যেসব গন্যমান্য ব্যাক্তিদেরকে বিষয়টি জানিয়েছে তারা যেন সু-বিচার করে। এই ধরনের ঘটনা যেন পুনরায় না ঘটে এই জন্য ইউনিয়ন পরিষদ ও সমাজবাসির পক্ষ থেকে উপযুক্ত বিচার দাবি করছি।

এডভোকেট মাহমুদুল হক সুজন বলেন, এসব অনৈতিক কাজে যারা জড়িত তাদের কে সামাজিক ভাবে প্রতিরোধ করা উচিত যেন সামনের দিকে এগুলো না হয়।