লক্ষ্মীপুরে প্রকৌশলীর হত্যা ঘটনায় সাবেক সাংসদ অবরুদ্ধ

রামগতি সবুজ জমিন প্রতিবেদক: লক্ষ্মীপুরের রামগতি আসনের রামগতি আসনের সাবেক সাংসদ আব্দুল্যাহ আল-মামুনের ভাগিনা রাসের হামলায় আবুল বাশার (৬৫) নামে এক অবসরপ্রাপ্ত উপ-সহকারী প্রকৌশলীর মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার বিকালে রামগতি বাজারে এ সাংসদকে অবরুদ্ধ করে রাখে স্থানীয় জনতা। পুরে পুলিশ এসে এ সাংসদকে উদ্ধার করে। নিহতের লাশ ময়না তদন্তের রিপোর্টের জন্য লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় ৯জন কে আটক করে পুলিশ। আটকৃতরা হলেন-০১। জমির উদ্দিন পিতা মোহাম্মদ হোসেন, ০২। আবদুল আলী-পিতা অহিদুর রহমান,০৩। নুর উদ্দিন পিতা মাহফুজুল হক, ০৪। মো. দুলাল পিতা মনতাজুল হক, ০৫। জাকির হোসেন আনন্দ পিতা আলি উল্যাহ, ০৬। মো. রমিজ পিতা, ০৭।মিলন-পিতা মজিবুল হক, ০৮। নোমান –পিতা আব্দুল রশিদ, ০৯।


স্থানীয় এলাকাবাসি ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জমি দখলে নিতে গিয়ে রামগতি আসনের সাবেক সাংসদ আব্দুল্যাহ আল-মামুনের ভাগিনা ও উপজেলার চর রমিজ ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক জাবেদ আল আমিন রাসেলের নেতৃত্বে হামলা চালানো হয়েছে।
রাসেল হামলায় আবুল বাশার (৬৫) নামে এক অবসরপ্রাপ্ত উপ-সহকারী প্রকৌশলীর ঘটনাস্থলে নিহত হয় এবং তার ছেলেকে সোহেল ও শওকত কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। স্থানীয়রা আহতদের কে উদ্ধার করে নোয়াখালী সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

এদিকে, মুল হামলাকারী রাসেল ও তার সহযোগীদের গ্রেফতারের দাবিতে বিকেলে রামদয়াল বাজারে স্থানীয় লোকজন বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। এতে শত শত নারী-পুরুষ অংশ নেন।একপর্যায়ে সাবেক সাংসদ আব্দুল্যাহ আল মামুনকে অবরুদ্ধ করে জনতা। পরে পুলিশের সহযোগিতা জনতার রোষানল থেকে পার পেয়ে দ্রুতগতি ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন তিনি। এ সময় তারা খুনি রাসেল গংদের বিচারের দাবিতে শ্লোগান এবং মানব বন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।

নিহত আবুল বাশার উপজেলার চর আলগী ইউনিয়নের নুরুল হক হাফেজের ছেলে। তিনি উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) অবসরপ্রাপ্ত উপ-সহকারী প্রকৌশলী।

রামগতি থানা অফিসার ইনচার্জ এ কে এম মোহাম্মদ আরিচুল হক বলেন, প্রতিবেদককে জানান, এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে ০৯ জন আটক করা হয়েছে। শেখ আরমান-পিতা বারেক শর্ণকার। তবে রাসেল ও অন্যন্যে জড়িতদের কে গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। এ ঘটনায় রেগুলার মামলা রুজু করবেন বলে জানান তিনি। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে যুবলীগ নেতা জাবেদ আল আমিন রাসেলের মোবাইল ফোনে বিকেলে একাধিকবার কল করে বন্ধ পাওয়া যায়। তবে স্থানীয়রা জানিয়েছে, ঘটনার পর রাসেল এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে সাবেক সাংসদ আব্দুল্যাহ আল মামুনের মোবাইল ফোনে ফোন করলে তিনি রিসিভ করেননি।