লক্ষ্মীপুরে দফায় দফায় অভিযান চালিয়ে ১০ যুবলীগ নেতাকর্মী আটক, সংঘর্ষে আহত ১২

সবুজ জমিন প্রতিবেদক: লক্ষ্মীপুরে বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও যুবলীগের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটনা ঘটে।

 

এসময় ৪ পুলিশ -যুবলীগ ও এক সাংবাদিক সহ অন্তত ১০ জন আহত হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পুলিশ দফায় দফায়  অভিযান চালিয়ে যুবলীগ নেতাকর্মীদের কে আটক করে।

আহতরা হলেন পুলিশ কর্মকর্তা এস আই আব্দুল আলীম, এ এস আই গিয়াস উদ্দিন, সদস্য নয়ন, মেহেদী, সাংবাদিক মীর ফরহাদ হোসেন সুমন, জেলা যুবলীগ সভাপতি সালাহ উদ্দিন টিপু, সদর উপজেলা যুবলীগ নেতা ও জেলা পরিষদ সদস্য মাহবুবুর রহমানসহ ১২ জন। এতে পুলিশ কয়েক দফা অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল হাসপাতালে থেকে সদর উপজেলা (পশ্চিম) যুবলীগের যুগ্ম-আহবায়ক ও জেলা পরিষদের সদস্য মাহাবুবুর রহমান, সদর পূর্ব যুবলীগের যুগ্ম-আহবায়ক রুপম হাওলাদার এবং লক্ষ্মীপুর পৌর মেয়রের ভবন প্রাঙ্গন থেকে পৌর যুবলীগের যুগ্ম-আহবায়ক ইকবাল হোসেন হিমলক্বারী, যুবলীগ নেতা আজগর হোসেন, মিজানুর রহমান ও মোহাম্মদ উল্যাহসহ ১০ জনকে আটক করে পুলিশ। পরে পুলিশ ঘটস্থল হাসপাতাল থেকে আওয়ামী যুবলীগের ১০ টি মটরসাইকেল জব্দ করে নিয়ে যায়।
হাসপাতাল, পুলিশ ও যুবলীগ সুত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার লাহারকান্দি ইউনিয়নের আঠিয়াতলী গ্রামের যুবক দেলোয়ার হোসেন স্থানীয় লাহারকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ফজলুর রহমানকে হত্যার চেষ্টা মামলায় মঙ্গলবার কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে এলাকায় ফেরেন। বুধবার সকালে সে একটি ছোরা নিয়ে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফজলুর রহমানের ওপর হামলা চালায় দেলোয়ার হোসেন। পরে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ নেতাকর্মীরা তাকে মারধর করে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ আহত দু’জনকে উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

খবর পেয়ে শহরের যুবলীগ নেতা-কর্মীরা হাসপাতালে যান। এ সময় দেলোয়ারের ওপর হামলার চেষ্টা করেন তারা। পুলিশ তাদের বাধা দিলে এক পর্যায়ে পুলিশের ওপর হামলা ও দুই পক্ষের সংঘর্ষ বাধে।

লক্ষ্মীপুরের পুলিশ সুপার আ স ম মাহাতাব উদ্দিন বলেন, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন একজনের ওপর হামলার চেষ্টা করে একটি গ্রুপ। এসময় বাধা দিলে তারা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ এলোপাতাড়ি লাঠি চার্জ করে কয়েকজনকে আটক করে।